|
Educational Information of Poland পোল্যান্ডে উচ্চশিক্ষা থিয়েটার, চলচ্চিত্র এবং সঙ্গীতের পড়াশোনার জন্য পোল্যান্ড বিশ্বখ্যাত। এদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি গবেষণা ও অভিজ্ঞতা ভিত্তিক জ্ঞানার্জনের উপর জোর দেয়া হয় বলে এখানকার অর্জিত সনদ বিশ্বে খুবই গ্রহণযোগ্য। যেসব বিয়য় পড়ার জন্য আদর্শ: এডমিনিস্ট্রেশন, মেডিক্যাল এনালিসিস, ইন্টেরিয়র ডিজাইন, বায়োটেকনোলজি, জার্নালিজম এন্ড সোসাল কমিউনিকেশন, আর্ট এডুকেশন, মিউজিক্যাল এডুকেশন, ইকোনোমিকস, ফার্মেসি, ফিলসফি, জিওগ্রাফি, ইনফরমেটিকস, ইঞ্জিনিয়ারিং, ফরেস্ট্রি, ল, নাসিং, থিওলজি, ফুড টেকনোলজি এন্ড হিউম্যান নিউট্রিশন, এগ্রিকালচার এন্ড ফরেস্ট টেকনোলজি, ডেন্টিস্ট্র, ফটো, ফিল্ম এন্ড টিভি ক্যামেরা অপারেশনসহ আর্টস এবং সায়েন্সের বিভিন্ন ধরনের বিষয়ে এখানে উচ্চশিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়াও আছে আর্কিওলোজি, এথনোলজি, আর্ট হিস্ট্রি, কালচারাল হেরিটেজ প্রোটেকশন, পেপার এন্ড পলিগ্রাফ ইঞ্জিনিয়ারিং। শিক্ষাবর্ষ: এখানে প্রতিবর্ষে ৩০সপ্তাহের কোর্স এবং প্রতি সপ্তাহে ৩০ ঘন্টার কোর্সের মাধ্যমে পড়াশোনা হয়। প্রতি শিক্ষা বর্ষে ২টি সেমিস্টার। শীতকালীন সেমিস্টার হয়-১ অক্টেবর থেকে পরবর্তী বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত। এর মধ্যে ১৫ সপ্তাহের কোর্স (ইনস্ট্রাকশন) ক্রিসমাসের ছুটি, শীতকালীন সেমিস্টার হয় ১৬ ফেব্রুয়ারী থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এর ভেতরে ১৫ সপ্তাহের কোর্স, ইস্টারের ছুটি, গ্রীষ্মকালীন ছুটি এবং পরীক্ষা অন্তর্ভুক্ত, গ্রীষ্মের ১ মাসের ছুটিতে ছাত্রদের প্রোফেশনাল ফিল্ডে প্র্যাকটিক্যাল পড়াশোনা করানো হয়। ইউনিভার্সিটিগুলোতে মূলত ২ প্রক্রিয়ায় পড়াশোনা হয়। প্রথম স্তরে ৩-৪ বছর সাধারণ থিওরটিক্যাল পড়াশোনা এবং ট্রেনিং দেওয়া হয়। দ্বিতীয় স্তরে প্রধানত বিস্তৃতভাবে স্পেশালাইজড় একাডেমিক টেনিং এর ব্যবস্থা করা হয় যেখানে থিসিস বা প্রোজেক্ট পেপার এবং পরীক্ষা নেয়া হয়। ভর্তি যোগ্যতা: কমপক্ষে ম্যাট্রিকুলেশান বা সমমানের পাস করতে হবে। ছাত্রদের নিজ দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একাডেমিক রেকর্ড ভালো থাকতে হবে এবং এসব কাগজপত্র দেখাতে হবে। বিদেশী ছাত্রদের ভর্তি পরীক্ষা দিতে হবে না। মিউজিকে ভর্তির জন্য ছাত্রদের মিউজিকের ওপর দক্ষতা এবং যোগ্যতা থাকতে হবে। মেডিক্যালে ভর্তির ক্ষেত্রে ছাত্রের বায়োলজি, ফিজিক্স, কেমিস্ট্রিতে ভালো নম্বর থাকতে হবে। বৈধ পাসপোর্ট এবং হেলথ সার্টিফিকেট দিতে হবে। পড়াশোনার ভাষা: এখানকার বেশির ভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পোলিশ ভাষায় পড়াশোনা হয়। আন্তর্জাতিক ছাত্রদের ইংরেজিতে দক্ষতা থাকতে হবে। পাশাপাশি পোলিশ ভাষায় ও কিছু দক্ষতা অর্জন করতে হবে। কিছু প্রতিষ্ঠানে শুধু পোলিশ ভাষা ব্যবহৃত হয়, ইংরেজি ভাষা ব্যবহৃত হয় না। এ ছাড়া ফ্রেঞ্চ এবং জার্মান ভাষাও ব্যবহৃত হয় কিছু প্রতিষ্ঠানে। খরচ: ভিসার জন্য আবেদন: ছাত্রদের পোল্যান্ডের ভিসার জন্য ঢাকায় অবস্থিত পোল্যান্ডের দূতবাসে যোগাযোগ করতে হবে। ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রগুলো হচ্ছে-১. পার্সপোর্ট, ২. এপ্লিকেশন ফর্ম, ৩. ১টি পার্সপোর্ট সাইজ ছবি, ৪. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাগজপত্র, ৫. পোল্যান্ডে থাকার ব্যবস্থা অথবা কোন আত্নীয়স্বজন থাকলে ঠিকানা, ৬. ইউনিভার্সিটির অফার লেটার, ৭. ট্রান্সপোর্ট ডকুমেন্টেশন, যেমন-প্লেনের টিকেট। বাংলাদেশী ছাত্রদের ভিসা পেতে কমপক্ষে ২ সপ্তাহ বা এর বেশি সময় লাগতে পারে। Website :
|
||
|
|
||
|
|
||
Online Survey |
||
Future Training |
||
|
|
||||||||||||||||||||||
Notice Board!
|
||||||||||||||||||||||
|
|
||||||||||||||||||||||
HSC / SSC Circular-10
|
||||||||||||||||||||||
|
|
||||||||||||||||||||||
|
|
||||||||||||||||||||||
| .... | ||||||||||||||||||||||
|
|
||||||||||||||||||||||

